চণ্ডীর সাথে ভারতভ্রমণ : এক অনবদ্য অভিজ্ঞতা

এক আশ্চর্য বই ভিজিট ইন্ডিয়া উইথ চণ্ডী’। শুধু মাত্র কার্টুন দিয়ে গোটা ভারতের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছিলেন চণ্ডী লাহিড়ী ১৯৭৩-এ। বর্তমানে আর মুদ্রিত আকারে পাওয়া যায় না এই বই। সেই বইটির সঙ্গে পরিচয় করাচ্ছেন প্রকাশ দাস বিশ্বাস

দেশভ্রমণ শিক্ষার অঙ্গ। তবে সবসময়েই যে দেশভ্রমণ শিক্ষা হয়ে উঠবে তা বলা যাবেনা। ভ্রমণে গিয়ে অনেক সময়েই অনেককে বিতিকিচ্ছিরি অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে হয়।chandi lahiri বাড়ির বাইরে, বাস-ট্রাম-ট্রেন-হোটেল-ধর্মশালার পরিস্থিতি যে সবসময়েই অনুকূল হবে তা নিশ্চিত করে বলা যায়না। তিক্ত অভিজ্ঞতা নিশ্চয় শিক্ষার সমার্থক নয় অন্তত যে অর্থে আমরা দেশভ্রমণকে শিক্ষার অঙ্গ বলে থাকি সেই অর্থে তো নয়ই। অবশ্য যাঁরা নগদ কাঞ্চনমূল্যে সর্বোত্তম পরিষেবা কিনতে পারেন তাঁদের কথা আলাদা। এদের বাইরে যে আমজনতা তাঁদের কাছে ভ্রমণটা সব সময় অবিমিশ্র আনন্দের হয়না। এদের কেউ কেউ আবার বন্ধুবান্ধব সহকর্মী মহলে ওটা তো আমার ঘোরা বলার আত্মতৃপ্তি লাভের জন্যই ভ্রমণে যান, না থাকে তাদের দেখার চোখ বা বোঝার মন। খুব স্বাভাবিকভাবেই ভ্রমণ হয় বটে তবে শিক্ষাটা হয়না। এর বাইরে আরো একদল আছেন যাঁরা সীমিত আর্থিক সামর্থ্যেও বাইরে বেরোন, কিছু দেখবেন, জানবেন, বুঝবেন বলে। দেশভ্রমণটা এদের কাছে শিক্ষারই অঙ্গ। এই শিক্ষাটা সত্যিকারেরই শিক্ষা হয়ে ওঠে যদি একজন সুশিক্ষিত প্রদর্শক পাওয়া যায়। আর সেই প্রদর্শক যদি হন চণ্ডী লাহিড়ীর মতো সুরসিক প্রাজ্ঞজন, তবে তো সোনায় সোহাগা। প্রাপ্তির ঝুলি ভরে ওঠে কানায় কানায়। আলোচ্য বই ‘ভিজিট ইণ্ডিয়া উইথ চণ্ডী’-তে চণ্ডী হচ্ছেন পর্যটকের ভারত-ভ্রমণের প্রদর্শক, চলতি কথায় গাইড।darjeeling

চণ্ডী লাহিড়ী কে তা বাঙালি পাঠককে আলাদা করে বলে দেবার দরকার নেই। কমবেশি চার পাঁচ দশক জুড়ে তাঁর কার্টুন মাতিয়ে রেখেছিল বাঙালিকে। খবরের কাগজ আর সাময়িকপত্রের পাতায় তাঁর কার্টুন বাঙালির সংবাদ-পাঠের আনন্দে যোগ করেছিল অন্য মাত্রা। যাদের সঙ্গে বই বা খবরের কাগজের বিশেষ সম্পর্ক নেই, যারা গল্প পড়েন টিভির মেগা সোপ সিরিয়ালে, তারাও চণ্ডীকে চেনেন ‘চণ্ডীপাঠ’-এর অনবদ্য স্রষ্টা হিসাবে।

১৯৫২ সালে সাংবাদিক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন চণ্ডী লাহিড়ী। ১৯৬১ সালে শুরু হয় তাঁর কার্টুনিস্ট জীবন। কার্টুন আঁকার পাশাপাশি তিনি বেশ কিছু রঙ্গ-রসাত্মক রচনাও লিখেছেন সাময়িকপত্রের পাতায়। বিপুল শ্রম ও অধ্যাবসায় নিয়ে লিখেছেন ‘কার্টুনের ইতিবৃত্ত’ শীর্ষক গবেষণাগ্রন্থ। ‘বাঙালির রঙ্গব্যঙ্গচর্চা’, ‘গগনেন্দ্রনাথের কার্টুন ও স্কেচ’, ‘সিনস্ ফ্রিডম : এ হিস্ট্রি ইন কার্টুনস ১৯৪৭-১১৯৩’ প্রভৃতি গ্রন্থ তাঁর নিবিড় নিষ্ঠার পরিচায়ক।

সাংবাদিক জীবনে আনন্দবাজার গোষ্ঠীর ইংরাজী দৈনিক হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ডে আঁকতেন থার্ড আই ভিউ, Seen Askew শিরোনামে। আনন্দবাজারে তাঁর কার্টুন ছাপা হত ‘তির্যক’ শীর্ষনামে। বাংলায় পকেট কার্টুনের স্রষ্টা চণ্ডী লাহিড়ীর হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ডে আঁকা Seen Askew-এর কার্টুনের সঙ্গে আরো কিছু কার্টুন নিয়েই তৈরি হয়েছে অনবদ্য বই ‘ভিজিট ইণ্ডিয়া উইথ চণ্ডী’। বইয়ের উদ্দিষ্ট পাঠক (নাকি দর্শক?) অবশ্য বিদেশি পর্যটকেরা। তবে দেশি পর্যটকেরাও এ বইয়ের রসাস্বাদন করতে পারবেন তারিয়ে তারিয়ে। নিত্যদিনের চেনা ছবিও যে চিত্রে কেমন বাঙ্ময় হয়ে উঠতে পারে তার বিরল নিদর্শন বইটি।

বইয়ের শুরু বিদেশি পর্যটক ধরার ফাঁদ দিয়ে। ব্যেমযানে ভ্রমণকারী বিদেশি পর্যটককে দড়ির ফাঁস ছুড়ে ভারতে নামানোর চেষ্টা। লন্ডন, নিউইয়র্ক, প্যারিস, কায়রো, বন, টোকিয়ো ভ্রমণ শেষে পর্যটক অবশেষে ভারতে। হেনস্তার শুরু কাস্টমস্ চেকিং দিয়ে। স্যুটেড, বুটেড, ক্যামেরা, বাইনোকুলার শোভিত পর্যটককে কাস্টমস্-এর ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহ করতে হয় অনেক কিছুর বিনিময়ে। এরপর শহরে প্রবেশ। খানাখন্দে ভরা রাস্তা দিয়ে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ভ্রমণ মানে আরোহীর ‘জিম’যাত্রা সম্পূর্ণ।crossing ট্যাক্সি-চালকেরা কেউ লাঞ্চে বা গ্যারেজ অভিমুখী, কারোর বা ব্রেকডাউন — চণ্ডীর তির্যক মন্তব্য ‘ট্যাক্সি অর ট্যাক্স’। বাদুড়ঝোলা ভিড়ে বাসে ওঠা যত কঠিন বেরোনো তার চেয়ে ঢের কঠিন। এর বাইরে আছে মানুষে টানা রিক্সা, তার কাহিনীও কম চমকপ্রদ নয়।

ফুটপাতে জমজমাট খাটাল ব্যবসা, জুতো পালিশ আর খাটিয়া পেতে জমাটি ঘুম — বাংলা বই হলে নির্ঘাত ক্যাপশন হত ‘এমন দেশটা কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি …’।

গাড়ি ঘোড়ার ভিড়ে ট্রাফিক লন্ডভন্ড। চিল্ড্রেন্স ক্রসিং-এ ধুতির কোঁচা ধরে বয়স্কদের পার করিয়ে দেয় বালক আর পথচারীদের রাস্তা পারাপারের জন্য ‘পেডেস্ট্রিয়ান ক্রসিং’ আঁকা হয় সাপের মতো আঁকাবাঁকা করে যেভাবে এদেশের লোক গাড়ি ঘোড়ার মাঝ দিয়ে রাস্তা পেরোতে অভস্ত। রাস্তায় গাড়ি আটকে যায় ছাগল-ভেড়ার পালে, মেষপালিকা ভ্রূক্ষেপ না করে এগিয়ে যায় নিজস্ব ছন্দে আর চণ্ডী ফুট্ কাটেন ‘দি লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্ব’। শহরের রাস্তায় দ্রুতগামী গাড়ির মাঝে স্বচ্ছন্দে ঢুকে পড়ে ধীরগতির গরুর গাড়ি, সিগন্যালে গাড়ি দাঁড়ায় পেডেস্ট্রিয়ান ক্রসিং-এর উপর। ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়া গাড়ির উপর পাশা খেলেন দুই আরোহী, নিশ্চিন্তে নিদ্রা যান অন্য কেউ। ঝামেলা এড়াতে কেউ যান মুটের মাথায় ঝুড়িতে চেপে, কেউ আবার রণপায়। চণ্ডীর চোখ দিয়ে না দেখলে এই বৈচিত্র্য নজরে পড়ত?

হোটেল নিয়েও চণ্ডীর কার্টুন অববদ্য। পর্বতপ্রমাণ বিল দেখে ভয়ে টেবিলের নিচে লুকোয় ক্রেতা। নিরামিষাশী হোটেলের চালের খড় টেনে খায় গরুতে। কুটনো কাটার বঁটি, আটা চাকি বা শিলনোড়ার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে চণ্ডী সাদৃশ্য খুঁজে পান অন্যকিছুর। তাঁর কার্টুনে আধুনিকা রান্না করেন কমপিউটারের বাটন টিপে। পান আর তার পিক নিয়েও চণ্ডীর ‘পান’ অসাধারণ।spit বয়স্ক বৃদ্ধ বাড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে যান ‘ডু নট স্পিট’ স্লোগান পিঠে লিখে, পাছে ছাদ থেকে কেউ কুকর্মটি করে বসেন। আজকের স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মতোই চণ্ডী দেখেন যে সন্ধ্যেবেলায় বাড়ির নোংরা ঝেঁটিয়ে বাইরে ফেলা হয় আর সকালবেলায় ঝাড়ুদার এসে সেই নোংরাই আবার ঝেঁটিয়ে বাড়িতে ঢুকিয়ে দেয়। আর ধূমপান নিয়ে চণ্ডীর উপলব্ধি ধূমপানের যন্ত্রটি যত ছোট আনন্দ তত বেশি। গড়গড়া থেকে কলকের মাহাত্ম্য ঢের বেশি।

হাউজিং-এর সমস্যাও চণ্ডীর চোখ দিয়ে দেখতে গিয়ে পাঠক দর্শক চমৎকৃত হন। পড়াশোনা, খানাপিনা, ঘুমোনো সব এক টেবিলে। এও বাহ্য, বহুতলের বাইরে ঝুলন্ত শয্যায় নিশ্চিন্ত নিদ্রা, বহুতল খাটে ‘ভাড়াটে চাই’ (To Let) এর লটকানো নোটিশ বা ফুটপাতে ঘুমন্ত অজস্র মানুষের মধ্যে ল্যাম্পপোস্টে ‘সরি নো রুম’-এর পোস্টার লাগানো ভারতবর্ষ ছাড়া এ জিনিস কে, কবে, কোথায় দেখেছে!

প্ল্যানেটেরিয়ামের সামনে বসে ফুটপাতের জ্যোতিষির অন্যের প্ল্যানেটারি পজিশন ইমপ্রুভ করার দাবিতে বা স্পিরিচুয়াল ভ্যালু বিক্রির অসার দাবিতে হাস্য সম্বরণ করা কঠিন হলেও এও তো ভারতেরই এক রূপ। valuesম্যানহোলের উপরে কাজ চলার বিজ্ঞাপন লটকানো থাকলেও তার নিচে চলে মদ্যপান বা নিশ্চিন্তে বিশ্রাম। কবিতা বা শিল্পমেলার হুজুগে হট্টমেলাও রেহাই পায়না চণ্ডীর নির্মম শ্লেষ থেকে।

ভারত দেখবেন আর যোগী দেখবেন না তা আবার হয় নাকি? তাই স্বঘোষিত যোগীদের নানা বিচিত্র কর্মকাণ্ড ফুটে ওঠে চণ্ডীর তুলিকলমে। যোগীর অটোগ্রাফের জন্য হামলে পড়া বিদেশি পর্যটক বা হেঁটমুণ্ড উর্দ্ধপদ যোগীর ছবি তুলতে ব্যস্ত পর্যটকও ধরা পড়ে যান চণ্ডীর নির্মোহ দৃষ্টিতে। ফুচকাপ্রিয় পৃথুলা রমনীরাও অচ্ছুত থাকেন না চণ্ডীর কাছে। তাদেরকেও বিচিত্রভাবে চিত্রিত করেন চণ্ডী।

অর্ডারমাফিক ভিখারী তৈরি বা ট্রাভেলার্স চেক নেওয়ার সরব বিজ্ঞাপনী ভিক্ষা আমাদের গালে যেন ঠাস করে চড় কষিয়ে দেয়। পকেট কাটার মাস্টারি এদেশে দেখার মতো। লাগেজ লিফটারদের হাত থেকে বাঁচতে কুলির কোমরে দড়ি বেঁধে সাথে চলতে হয় বা পার্স বাঁচাতে কোমরে বাঁধতে হয় জ্যান্ত সাপ — ধন্য পর্যবেক্ষণ!

এদেশের পুলিশ! সেও এক আজব জীব। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, বসন্ততে সে এক এক রূপে অবতীর্ণ। শাড়ী কেন জনপ্রিয়? চণ্ডীর ব্যাখ্যা শাড়ী পড়লে অন্যের স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে অবাধে ঘোরা যায়, প্রয়োজনে শাড়ীকে পাল হিসাবে ব্যবহার করা যায়, গলায় জড়িয়ে সুইসাইড বা জানালা থেকে শাড়ী ঝুলিয়ে পালানো যায়। শাড়ীর এত উপযোগিতা বিদেশীরা জানে?housing

এদেশের অফিসের ডিপোজিট সেকশান থাকে একতলায় আর পে-সেকশান থাকে অনেক বড় ঘোরানো সিঁড়ির উপরে আর অফিসটা যদি ইনকাম ট্যাক্সের হয় তবে ঢোকার পথ থাকলেও বেরোনোর পথ থাকবেই না। এদেশে মন্ত্রীরা কেমন? চণ্ডী মিল খুঁজে পান বন্ধ কান বুদ্ধমূর্তির সঙ্গে, হাজার চেঁচামেচিও যার কানে ঢোকে না। খেলা দেখার জন্য কাঁধ ভাড়া দেওয়া বা গাছে চড়ে খেলা দেখা অন্য মাত্রা পায় চণ্ডীর তুলিতে।

ফ্যাসান মানে কি? বিচিত্র কেশবিন্যাস, নাকে নথ, পায়ে মল? চণ্ডী তার সঙ্গে মিল খুঁজে পান খুঁটোয় বাঁধা হাতি বা গরুর। ঝোলানো বেণী যেন সাপুড়ের নাগিনের তালে তালে ফণা দোলানো সাপ, অসাধারণ এ পর্যবেক্ষণ! প্রদর্শক যখন চণ্ডী তখন হিন্দুস্তানী সঙ্গীতের সঙ্গে পর্যটকের পরিচয় করিয়ে দেবেন না তাই কখনো হয়! তাই ওস্তাদের কালোয়াতির সঙ্গে কত্থক, কথাকলি, ভারতনাট্যম বা পপ ভাংরাও উঠে আসে চণ্ডীর তুলিকলমে। কৃষিদপ্তরের রেন রিসার্চ সেন্টারে সাধনা চলে গান গেয়ে বৃষ্টি নামানোর। দেশটা তো ভারতবর্ষ, না কি?

দেশীয় নাগরিক জীবনযাপনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রই ধরা পড়েছে চণ্ডীর চোখে আর তির্যক ভঙ্গিতে তাই তিনি তুলে ধরেছেন সহযাত্রীর সুবিধার্থে। চণ্ডীর এ বই প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৩-এ, কলকাতার ইন্ডিয়ান পাবলিকেশনস থেকে। দাম ছিল ১৫ টাকা। সে যুগের হিসাবে ১৫২ পাতা বইয়ের দাম হিসাবে একটু বেশিই। তবে একথা হলফ করেই বলা যায় যে মুদ্রিত দাম যাই-ই হোক না কেন এ বই আসলে অমূল্য। সমাজের দর্পন বলা যেতে পারে এ বইকে। এই ‘দর্দভরা দুনিয়ায়’ হাসির এমন অনাবিল খনির অভাব বড় প্রকট। প্রকাশনা জগতের দুর্ভাগ্য, সেই সঙ্গে রসিক পাঠকেরও, যে এমন একটা বই দীর্ঘদিন ‘আউট অফ প্রিন্ট’ থাকে!

চিত্র পরিচিতি : ফোটোগ্রাফটি শিল্পী চণ্ডী লাহিড়ীর। সঙ্গের কার্টুনগুলি সবই আলোচিত বইটি থেকে।

This entry was posted in Cultural journey and tagged , , , , , , , . Bookmark the permalink.

3 Responses to চণ্ডীর সাথে ভারতভ্রমণ : এক অনবদ্য অভিজ্ঞতা

  1. তুহিনশুভ্র বলেছেন:

    প্রকাশদার লেখা পড়ে বইটা হাতে নিয়ে দেখার ইচ্ছা হাজারগুন বেড়ে গেল । বইটা যেহেতু আউট অব প্রিন্ট তাই এ ক্ষেত্রেও সেই ভরসা উদ্ভাসের শিল্প সংগ্রহ ।

  2. Pratyush Mondal বলেছেন:

    Darun… Thanks #Udvas for such stories!!

  3. Biswadeb Gangopadhya বলেছেন:

    This is an another creation of Chandi Lahiri ,
    a view of problems through cartoons which can be drawn by the cartoonist sharply. However I have known the name of this book but did’nt come touched with the same. The book should be reprinted for the sake of cartoon lovers.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.