মোনালিসার গল্প

মোনালিসাকে নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই আজও। গল্পেরও শেষ নেই। সেই মোনালিসাকে নিয়েই এবার গল্প ফাঁদলেন শিল্পী কৃষ্ণজিৎ সেনগুপ্ত

অনেকে যখন কৌতূহল ভরে মোনালিসার পাহাড়প্রমাণ খ্যাতির কারণ জানতে চান, তখন আমিও অবাক হয়ে ভাবি — সত্যিই তো মোনালিসার এত খ্যাতি কীসের জন্য? পাঁচশো বছর ধরে কোটি কোটি মানুষের এত বেশি উৎসাহ ভালোবাসা কৌতূহল আর কোনও ছবিকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে কি? কেউ কি পেয়েছে তার মতো এমন অখণ্ড ধারাবাহিক মনোযোগ? তিন ফিট বাই দুই ফিট চার ইঞ্চির একটি ছবি। সেখানে মুখ্য হয়ে আছে একটি আবক্ষ নারীমূর্তি, আর নেপথ্যে আবছা পাহাড়ী-নিসর্গ। ব্যস্ আর কিছু না। কোনও ঘটনা নেই, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের উচ্চকিত নাটকীয়তা নেই, নেই কোনও চমকপ্রদ ভঙ্গিমা অথবা স্পেসের অবিশ্বাস্য ব্যবহার। প্রথম দর্শনে মোনালিসাকে দেখলে মনে হয় একটি বড়সড় পাসপোর্ট সাইজের ছবিই বুঝি দেখছি, খুব স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত একটি পোর্ট্রেট। হ্যাঁ, নিঃসন্দেহেই দক্ষশিল্পীর আঁকা। কিন্তু খুব চমকে দেবার মতো কি? তাহলে কি আমরা ধরে নেব লিওনার্দো দা ভিঞ্চির মতো কিংবদন্তি শিল্পীর আঁকা ছবি বলেই এত খ্যাতি মোনালিসার? কিন্তু মোনালিসার চেয়েও উৎকৃষ্ট ছবি কি আঁকেননি ভিঞ্চি? ‘ভার্জিন অফ দা রকস্’-এর নারীর সৌন্দর্য তো মোনালিসার চাইতেও বেশি। তবে?

এই ‘তবে’-কে নিয়েই শুরু করা যাক কৌতূহলোদ্দীপক একটি আলোচনা। শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চির বয়স যখন বাহান্ন বছর তখন তিনি প্রথম দেখেন ম্যাডেনা লিসাকে (যার বয়স তখন ছাব্বিশ বছর), যিনি কিনা ফ্লোরেন্সের জনৈক ধনী ব্যবসায়ী ফ্রানচেসকো ডেল গিওকোন্ডোর তৃতীয়পক্ষের স্ত্রী। সুন্দরী ইতালিয় রমনী লিসার একটি পোর্ট্রেট করার আবেদন নিয়ে তাঁর স্বামী গিওকোন্ডো একদা হাজির হয়েছিলেন লিওনার্দোর স্টুডিওয়। বিশ্বশিল্পের ইতিহাসে নিশ্চয়ই সে এক স্মরণীয় মুহুর্ত। কারণ, তার আগে শত অনুরোধেও লিওনার্দো কারো পোর্ট্রেট আঁকতে রাজি হননি। রাজা-রানি, রাজকুমার-রাজকুমারী কারো মুখের প্রতিই ছিল না তাঁর বিন্দুমাত্র আগ্রহ। সুতরাং বিশেষত্ব কিছু একটা ছিলই সেই মুখে, যার টানে মোনালিসার মুখকে তুলির স্পর্শে অমর করে গেছেন লিওনার্দো। আপাতদৃষ্টিতে মোনালিসাকে দেখলে মনে হয় সে যেন কিছুটা ভাবলেশহীন। নিরাসক্তির মৃদুতায় আচ্ছন্ন একটি মুখ। এই ভাবলেশহীনতাই হল মোনালিসা ছবির আসল সম্পদ। যদিও আমরা জানি না মুখের এই অভিব্যক্তি লিসা নাম্নী নারীর নিজস্ব, নাকি লিওনার্দোর প্রতিভাবলে এটি আরোপিত হয়েছে চিত্রপটে। তবে একথা শোনা যায় যে লিওনার্দো নাকি মোনালিসার মুখের প্রসন্নতাকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য ছবি আঁকার সময় স্টুডিওতে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাদনের সুব্যবস্থা করে রেখেছিলেন। এও জানা যায় যে মোনালিসাকে আঁকার কালে তার প্রেমে গভীরভাবে ডুবে গিয়েছিলেন স্বয়ং শিল্পী। এবং এতটাই গভীর ছিল নাকি সেই প্রেম যে লিওনার্দো নিজেই ক্রমশ দেখতে হয়ে যাচ্ছিলেন মোনালিসার মতো। monalisaমোনালিসাকে নিয়ে এইরকম নানারকম কাহিনী, উপকথা আর গুজবের ভিড়। বিশ্বজোড়া সেই কৌতূহলের মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক দিমিত্রি মেরেজকাউস্কির লেখা ‘দ্য রোমান্স অফ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি’-র মতো অসামান্য একটি উপন্যাস। যদিও সে উপন্যাস পড়ার সৌভাগ্য এখনো হয়নি আমার। কিন্তু আমি পড়েছি পূর্ণেন্দু পত্রীর একটি অনন্য বই ‘মোনালিসা’। সেই বইয়ে আছে মেরেজকাউস্কির উপন্যাসটির সারাৎসার। সেই সঙ্গে আছে আরো অত্যাশ্চর্য সব তথ্য ও বিশ্লেষণ। সেই বই থেকে জানতে পেরেছি — কারো কারো দাবি মোনালিসা নাকি আদৌ গিওকোন্ডোর স্ত্রীর ছবি নয়। সেটি আসলে ডাচেস অফ ফ্রানকাভিলা Costanza d’Avalos-এর প্রতিকৃতি। আবার অনেকের মত এটিও নাকি সঠিক তথ্য নয়। ছবিটি প্রকৃতপক্ষে অন্য কোনও মহিলার, যেটি কিনা আঁকা হয়েছিল সে আমলের বিখ্যাত ইতালিয় ধনকুবের গুইলিয়ানো দা মেদিচির জন্য। মোনালিসা ছিলেন মেদিচির প্রাক্তন প্রেমিকা। তাঁর বর্তমান স্ত্রী মোনালিসার ছবি দেখে চটে যাবার ভয়ে তিনি শেষ অবধি ছবিটি রেখে দেন লিওনার্দো দা ভিঞ্চির জিম্মায়। অনেকে আবার আরও এক পা এগিয়ে দাবি করেছেন — মোনালিসা আদৌ কোনও মহিলারই ছবি নয়। এ ছবি আসলে স্বয়ং লিওনার্দো দা ভিঞ্চিরই নারীরূপ! লিওনার্দোর আঁকা আত্মপ্রতিকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে এর স্বপক্ষে নাকি প্রমাণও পাওয়া গেছে। এরকম কত যে অবাক করা খবর! মাঝে মাঝে মনে হয় এত সব বিচিত্র সংবাদের জন্যই কি মোনালিসাকে নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের এত বাড়বাড়ন্ত? হবেও বা। কিন্তু শিল্পের বিচারেও কি মোনালিসার মধ্যে এমন কিছু পরশমণি নেই যা তাকে বিশিষ্টতার বিভা দান করেছে?

সেই বিশিষ্টতার কথাগুলিই বলি এবার। মোনালিসার রূপের চেয়েও বেশি খ্যাতি তার হাসির। অবশ্য আমরা যদি খুব ভালো করে ছবিটিকে দেখি তাহলে দেখব মোনালিসা ঠিক হাসছেন না। ঠোঁটের কোণে হাসির অল্প আভাস আছে ঠিকই, কিন্তু সেটিকে ঠিক প্রকৃত হাসি বলা যায় না। খুব কঠিন এই অভিব্যক্তিকে ফুটিয়ে তোলা। লিওনার্দো যদি তাঁর তুলির টান একটুও বদল করতেন তাহলে আর এই ভাবটি নিশ্চয়ই বজায় থাকতো না। এই ‘দেখা না-দেখায় মেশা’ হাসিটি মোনালিসার মুখটিকে এমনই এক স্বাতন্ত্র দান করেছে যে দর্শক যখন যেমন মেজাজে মোনালিসার দিকে তাকাবেন, তখনই তিনি তাঁর নিজের মানসিক অবস্থার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবেন সেই নারীর মুখমণ্ডলে। অর্থাৎ বিষন্ন দর্শকের মনে হবে মোনালিসা হাসছেন ঠিকই কিন্তু কোথাও রয়ে গেছে বিষাদের একটা আড়াল। বিপরীতে পুলকিত মনের দর্শনার্থীর কাছে মোনালিসা ধরা পড়বেন কৌতুকময়ী চেহারায়। অর্থাৎ মোনালিসা অন্তর্যামীর মতো। যাবতীয় দর্শকের মনের অবস্থা তাঁর জানা। যিনি যেরকমভাবে দেখতে চাইবেন তাঁকে, মোনালিসা তাঁর কাছে সেইভাবেই দেখা দেবেন। দ্বিতীয় বিষয়টি হল মোনালিসার চোখ। মোনালিসার চোখে এমনই একটি দৃষ্টি দিয়েছেন লিওনার্দো যার ফলে ছবির ডান-বাম যেদিক থেকেই দেখা যাক না কেন দর্শকের মনে হবে মোনালিসা বুঝি তাঁর দিকেই তাকিয়ে আছেন। আর সেই তাকানোর ভঙ্গিমাটিও ভারি অদ্ভুত, না কোমল না তীক্ষ্ম। তৃতীয় বিষয় মোনালিসার প্রেক্ষাপটের নিসর্গচিত্রটি। লিওনার্দো মোনালিসার প্রতিকৃতির পিছনে আঁকতেই পারতেন ঘরের দেওয়াল, বাহারী পর্দা অথবা বিচিত্র কারুকাজ করা একটি জানালা। কিন্তু সে-সব কিছু না এঁকে তিনি আঁকলেন রহস্যময় একটি নিসর্গ। রহস্যময় কেন বলছি? কারণ, দর্শকের সমস্ত হিসেবকে এলোমেলো করে দেয় এই প্রাকৃতিক দৃশ্যটি। যেমন ধরা যাক, মোনালিসার পিছনের দিগন্তরেখাটি। মোনালিসার বামদিকের দিগন্তরেখা তার ডানদিকের দিগন্তরেখার চেয়ে বেশ খানিকটা উঁচুতে। অথচ আমরা জানি দিগন্তরেখা এমন হয় না কোনওভাবেই। কিন্তু শিল্পীর এই কেরামতিতে ছবির বামদিক থেকে দেখলে মোনালিসাকে দেখায় দীর্ঘাঙ্গী, আর ডান থেকে দেখলে মনে হয় তিনি খানিকটা মোটাসোটা। রহস্য আরোও আছে। মোনালিসার মুখমণ্ডল ও চোখের অবস্থান দর্শকের দৃষ্টির সমান্তরাল, অর্থাৎ শিল্পী তাঁকে এঁকেছেন দর্শকের আই-লেভেল অনুযায়ী। অথচ পিছনের দৃশ্যটি, বিশেষ করে মোনালিসার ডানদিকের ভূদৃশ্যটি লক্ষ্য করলে মনে হয় সেটি যেন আকাশ থেকে পাখির চোখে (বার্ডস্ আই-ভিউ) দেখা। একই চিত্রপটে পাশাপাশি দুইরকমের দৃষ্টিক্ষেপ (ভিউ) আর কোনও ছবিতে দেখা গেছে কি, বিশেষত মোনালিসা আঁকার আগে? এ যেন অদ্ভুত এক রহস্যের মায়াজাল। দৃশ্যের মধ্যে উঁচু উঁচু পাহাড় ও তার কোল বেয়ে এঁকেবেঁকে চলা নদী, ঈষৎ ধোঁয়াচ্ছন্ন আকাশ আমাদের চোখের সামনে ঝুলিয়ে দেয় প্রহেলিকার পর্দা। কেনেথ ক্লার্কের লেখা ‘লিওনার্দো দা ভিঞ্চি’ বইটি পড়ে জানা যায় মোনালিসা আঁকার সময় লিওনার্দো এঁকেছেন একাধিক ল্যান্ডস্কেপ। দৃশ্যচিত্র বিষয়ে গভীর এক অনুশীলন-পর্ব সমাপ্ত করে তারপরেই তিনি হাত দিয়েছিলেন মোনালিসার প্রেক্ষাপট রচনায়। আমরা জানি আধুনিক পরিপ্রেক্ষিতবিদ্যার (যে বিদ্যার মাধ্যমে যথাযথভঙ্গিতে দূরের জিনিসকে ক্রমশ ছোটো ও বিবর্ণভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়) সার্থক প্রয়োগ লিওনার্দোই করেন। প্রাকৃতিক দৃশ্যের ভেতরে লুকিয়ে থাকা বায়ুমণ্ডলকে তুলির আঁচড়ে বার করে আনার কৌশল তাঁর আগে আর কেউ আবিষ্কার করতে পারেননি। মোনালিসাতেও এই বিদ্যা নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে বলতে হবে মোনালিসার মুখের ওপর আলোছায়ার খেলার কথা, সেও তো এক পরম বিস্ময়। এ ছবিতে তিনি আলোর ওপর ছায়ার চাদর জড়িয়ে দিয়েছেন এমন পদ্ধতিতে যার দ্বিতীয় কোনও নজির পাওয়া যাবে না। খুব ভালো করে খুঁজলেও চিত্রপটের কোথাও পাওয়া যাবে না তুলির দাগ, রঙের উচ্ছ্বাস কিংবা রেখার উচ্ছৃঙ্খলা। শান্ত সমাহিত এক অলৌকিক পোর্ট্রেট, যাকে কেউ দেখেন রিয়ালিস্টিক রূপে আবার কেউ দেখেন সিম্বলিক চেহারায়।

পাঁচশো বছরেরও বেশি পুরোনো একটি ছবি, ইতিহাস বলছে যার গায়ে এখনও শিল্পীর তুলির শেষ টানটি পড়েনি (অর্থাৎ ছবিটি আজও অসমাপ্ত) এবং ফরমায়েশি কাজ হওয়া সত্ত্বেও যে ছবিটি শিল্পী তাঁর জীবনের শেষদিন পর্যন্ত নিজের কাছ-ছাড়া করেননি, সেই ছবিটিকে ঘিরে আমরা যত আলোচনাই করি না কেন শেষ অবধি আমাদের আশা পূর্ণ হয় না। মোনালিসা বিশ্বশিল্পের একটি অমূল্য সম্পদ, তা সে গল্পকথার জন্যই হোক অথবা চিত্রশৈলীর নানান অভিনব পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণেই হোক। mona_lisa_fixed_by_bigcornelius-d33udpoযুগ যুগ ধরে এই ছবি একদিকে যেমন নন্দিত হয়েছে আর একদিকে তেমনি সমালোচিতও হয়েছে আশ্চর্য সব অপব্যাখ্যায়। শিল্পীরা মোনালিসাকে নিয়ে অজস্র কার্টুন এঁকেছেন, কবিরা লিখেছেন কবিতা, সংগীতও রচিত হয়েছে কত। এমনকি জনৈক তস্কর প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এ ছবিকে চুরি করেছেন দেশপ্রেমের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শনের অজুহাতে। ১৯১১ সালে ইতালির এক অখ্যাত ব্যক্তি প্যারিসের লুভর্ মিউজিয়ম থেকে মোনালিসা চুরি করেছিলেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন — একদা নেপোলিয়ন যুদ্ধজয়ের গৌরবে ইতালি থেকে মোনালিসাকে লুণ্ঠন করে নিয়ে যান ফ্রান্সে। সেই ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই তাঁর সেই মহান চৌর্যবৃত্তি। সারা বিশ্বকে তোলপাড় করে দেওয়া এই চুরির ঘটনাটিকে নিয়ে গ্যাব্রিয়েল আন্নুজিও’র লেখা একটি উপন্যাসও আছে ‘দ্য ম্যান হু স্টোল মোনালিসা’। যার ওপর নির্ভর করে পরবর্তীতে একটি চলচ্চিত্রও তৈরি হয়েছে এবং আমি নিজেও সেটি দেখেছি। মোনালিসা এমনই একটি ছবি যাকে নিয়ে ঘটনার যেন শেষ নেই। এই লেখার উপসংহারে এসে হঠাৎ মনে পড়ে গেল রাফায়েলের কথা। রাফায়েল হলেন ইওরোপীয় রেনেশাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পী। শোনা যায় লিওনার্দো যখন মোনালিসা ছবিটি আঁকছেন তখন সেটি দেখে রাফায়েলের এতটাই ভালো লেগেছিল যে তিনি তার অনুপ্রেরণায় ‘ম্যাডোনা জেনি’ নামে একটি অসাধারণ ছবি আঁকেন। মোনালিসার সঙ্গে ম্যাডোনা জেনির মুখের অদ্ভুত সাদৃশ্য, যিনি দেখবেন তিনিই স্বীকার করবেন।

এতসবের পরেও কি মোনালিসার খ্যাতির কারণ নিয়ে জিজ্ঞাসার কিছু বাকি থাকে? কী জানি!

 

চিত্র পরিচিতি : ১। লিওনার্দো দা ভিঞ্চি-র আত্মপ্রতিকৃতি; ২। ভিঞ্চির মোনালিসা; ৩। জে অরসাটের আঁকা মোনালিসা কার্টুন।

Advertisements
This entry was posted in Cultural journey and tagged , , , . Bookmark the permalink.

1 Response to মোনালিসার গল্প

  1. তুলি সূত্র ধর বলেছেন:

    খুব ভালো লাগলো

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.