লাল-কালোয় হিরণ মিত্র

দেবকুমার সোম এবার কলম ধরছেন হিরণ মিত্রকে নিয়ে। কিন্তু শুধু শিল্পী হিরণ মিত্র নয়, একটু একটু করে রঙের অন্তঃসার যেন আলাদাভাবে ধরা পড়ছে লেখকের কলমে।

চিত্রকর মাত্রই রঙকানা। দুই কিংবা তিনটে বিশিষ্ট রঙ ছাড়া তাঁদের চোখে অন্য কোন রঙ ধরা পড়ে না। সাদা ক্যানভাসের সামনে দাঁড়িয়ে কিংবা আর্টবোর্ডে, কাগজে ছবি আঁকতে গিয়ে প্রথম যে রঙ তাঁরা ইজেলে মেশান, তা অনেকটা প্ররোচনার মতো। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 01 Hএ যেন কবির শব্দ প্রয়োগ সংক্রান্ত মুদ্রাদোষের মতোই অদোষণীয়। উদাহরণ ভিনসেন্ট ভ্যানগঘ। দুনিয়ায় এত রঙ থাকতে হলুদ রঙই তাঁর কপাল পোড়াল! বন্ধুবর পল গঁগ্যা যখন ভিনসেন্টের সানফ্লাওয়ারে অতিরিক্ত হলুদ ব্যবহার নিয়ে ব্যঙ্গ করেছিলেন, তখন বন্ধুকে খুন করতে বন্দুক থেকে গুলি ছুঁড়তে দু বার ভাবেননি এই অবিস্মরণীয় ডাচ শিল্পী। আবার গঁগ্যাকে দেখুন; শেষ বয়সে তাহিতি দ্বীপে জীবন উদযাপনের পর্বে পাঙশুটে হলুদ হল তাঁর প্রধান রঙ! হলুদের দোসর উজ্জ্বল লাল রঙ কিংবা ম্যাজেন্টা। ইমপ্রেশনিস্টেরা না হয় এমন খ্যাপামি করেছেন। কিন্তু আঁরি মাতিস? মাতিসের ঘন লাল আর গাঢ় সবুজের প্রতি কেন এমন দুর্বলতা ছিল? তাঁর ডান্স সিরিজের ছবিগুলোতে লাল আর সবুজের বিবিধ জ্যামিতিক প্যাটার্ন ছাড়া বাকি সব রঙ গৌণ। মোদ্দা কথা প্রাতঃস্মরণীয় এই ফরাসি আঁতেল নির্ঘাত রঙকানা ছিলেন। ভারতীয় চিত্রকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুরুষ রবীন্দ্রনাথ। যিনি কবিতায় (আমি) লিখলেন, ‘আমার চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, / চুনি উঠল রাঙা হয়ে। / আমি চোখ মেললুম আকাশে, / জ্বলে উঠল আলো / পুবে পশ্চিমে। / গোলাপের দিকে চেয়ে বললুম ‘‘সুন্দর’’, / সুন্দর হল সে।’ তিনি বুড়ো বয়সে ছবি আঁকতে গিয়ে শেষমেশ কী করলেন? গাঢ় খয়েরি কিংবা মেটে রঙেই ভরিয়ে দিলেন কাগজ! একটি মেয়ের মুখ আঁকলেন (বুঝি বা সেল্ফ পোট্রেইট) পুরু ঠোঁট, খড়গ নাক, গভীর দৃষ্টি, কিন্তু সবটাই গাঢ় রঙে লেপে দিলেন। এহঃ বাহ্য। চুল কিংবা চোখের মণি, যেখানে কালো রঙ ব্যবহার হবে, অনন্য প্রতিভাধর চিত্রকর সেখানেও দিলেন গাঢ় খয়েরি রঙ। চিত্রশিল্পের দিগন্তরেখা ভেঙে মহান প্রতিভা পাবলো পিকাসো জীবনভর যে এত ছবি আঁকলেন, নিজেকে যে এতবার বদলে নিলেন, তার পর্বগুলোকেও পণ্ডিতেরা ব্লু পিরিয়ড, পিঙ্ক পিরিয়ড এভাবেই চিহ্নিত করেছেন না কি? অর্থাৎ চিত্রকরেরা গেঁয়ো অর্থে রঙকানা। সেই একই লব্জে হিরণ মিত্র কোন ব্যতিক্রম নন। তাঁর সামগ্রিক সৃষ্টির সামনে দাঁড়ালে একই দুষ্টতা আমাদের চোখে পড়ে। লাল আর কালো আপাতবিরোধী দুটো প্রখর রঙ তাঁর ছবিতে আর পাঁচটা রঙকে মার্জিনাল করে দিয়েছে। তবে সাফ কথা, এই অদোষণীয় দুষ্টতার প্রতি দারুন সংরাগের কারণে আমাদের হিরণদা তাঁর সময়ের একজন বিশিষ্ট চিত্রকর হিসেবেই নন্দিত।

            এই যে লিখলাম ‘আমাদের হিরণদা’; আমরা যারা এই সময়ের বঙ্গবাসী। যারা কবিতা লিখি, লিটল্ ম্যাগ করি, যারা সিনেমা বানাই কিংবা থিয়েটার করি। যারা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে তুখোড় খ্যাপা ষাঁড়। হোক কলরব। আমাদের সক্কলের আপনজন চিত্রকর হিরণ মিত্র।   কারণ এই নয় যে, তিনি বিনি পয়সায়, কিংবা সামান্য পারিশ্রমিকে বইয়ের প্রচ্ছদ, মঞ্চের দৃশ্যায়ন, চলচ্চিত্রের শিল্পপট তৈরি করে দেন আমাদের জন্য। কারণ সম্ভবত এই, লাল আর কালো বিরোধী দুই গাঢ় রঙের প্রতি তাঁর অপরিসীম ঔদার্য। হিরণদা, অর্থাৎ ‘আমাদের হিরণদা’র চিত্রসজ্জা হয়ত আমাদের বিক্ষুব্ধ আত্মার দোসর হিসেবেই প্রতীয়মান। সম্ভবত, এক ‘সুনীলদা’ (গঙ্গোপাধ্যায়) ছাড়া, আর কারও কাছে আমরা এমন প্রশ্রয় পাইনি। পাই না।02 H

            বিষয়ের গভীরে যাওয়ার আগে আরও গভীরে রঙ সংক্রান্ত কিছু মনস্তাত্ত্বিক আলোচনা সেরে ফেলা যাক। যেমন, লাল রঙ আদতে আগুন কিংবা রক্তকে প্রতিস্থাপিত করে। ফলে লাল রঙ এনার্জি, যুদ্ধ, বিপদ, শক্তি, ক্ষমতা, ডিটারমিনেশনের প্রতীক। আবার তেমনই এই রঙ প্যাশন, কামনা (ডিসেয়ার), কিংবা প্রেমকেও বাঙ্ময় করে। লাল খুবই আবেগপ্রবণ রঙ। সেইজন্য, লাল রঙ দর্শনে আমাদের মেটাবলিসম বেড়ে যায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বাড়ে। ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। লাল রঙ অনেকটা রক্তচক্ষুর মতো। ট্রাফিক সিগন্যালে লালবাতি মানে ডেডস্টিল। অবশ্য লালবাতির সঙ্গে যদি হুটার জুড়ে যায়, তবে রাষ্ট্ররক্ষকের গাড়ি তোয়াক্কা করে না কোনো সিগন্যাল। অর্থাৎ লাল ক্ষমতার রঙ। রক্ষকের রঙও বটে। ফায়ার ব্রিগেডের রঙও কি লাল নয়? আপতকালীন ব্যবস্থায় রঙ হিসেবে তো লালেরই প্রাধান্য। আবার মেহনতি মানুষের সংগ্রামের রঙ লাল। একটানা পঁয়ত্রিশ বছরের নিঃশব্দ সন্ত্রাসবাদের পতাকায়ও ছিল লাল রঙ। যেহেতু সন্ত্রাস কিংবা শাসকের রঙ লাল, তাই রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষে থাকা নায়কদের অনেকেই মুখে হাসি ফোটাতে বুকে রাখেন লাল গোলাপ। এদিকে আমার মতো ফেলু পার্টিও পরীক্ষার খাতায়, মার্কশিটে, প্রেম-অপ্রেমে বহুবার লালকালির আঁচড় পেল জীবনে।

            লাল ছেড়ে যদি আমরা কালো রঙের দিকে মুখ ফেরাই, তবে সেখানেও কী বৈপরীত্য। পদার্থবিদ্যায় ব্ল্যাকবডি রেডিয়েশন্ বলে একটা ব্যাপার আছে। মাটির হাঁড়ির পেছনে কালো ভুষোকালি মাখালে হাঁড়ি খুব দ্রুত গরম হয়, রান্নাও হয় তাড়াতাড়ি। আসলে কালো রঙের গুণ (কিংবা দোষ) এই, যে সে তাপ কিংবা আলোকে শুষে নেয়। বিকিরণ করে না। ব্ল্যাকবডি সংক্রান্ত নিউটনের সিদ্ধান্ত সাধারণ পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্রের-ও জানা। আবার স্টিফেন হকিংস তাঁর বিগ ব্যাং সুত্রের আলোচনায় ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে যা জানিয়েছেন তা হল এই, কৃষ্ণগহ্বর মহাশূন্যে বহুকাল আগে মরে হেজে যাওয়া নক্ষত্র। তার মধ্যাকর্ষণের টান এমন যে, আলোকরশ্মিও এর থেকে বের হতে পারে না। সবটাই শুষে নেয় ব্ল্যাকহোল। অর্থাৎ বলার কথা কালো রঙ রহস্যময়। ম্যাজিশিয়নের গায়ের পোষাক, মঞ্চের ব্যাকড্রপ — কালো। উকিলের শামলাও কালো। এসব রহস্যময় তো বটেই, টেনশনের জন্মদাতাও। কালো অর্থাৎ অন্ধকার। অন্ধকার অর্থ মৃত্যু কিংবা মৃত্যুর মতো শোকবহ। খ্রীষ্টানদের কাছে কালো রঙ তেরো সংখ্যার মতো অপয়া। কিন্তু ইসলামে কালো রঙ উদারনৈতিক। কালো রঙ অশুভ। কালো রঙ নঞার্থক চেতনা বহনকারী। এদিকে কালো চুল, কালো আঁখিপল্লব সৌন্দর্যের দ্বোত্মক। রবি ঠাকুরের কৃষ্ণকলি, যেমন কালো মেঘে তড়িৎ শিখায় ভুজঙ্গপ্রয়াত। নীহাররঞ্জন গুপ্তের কালো ভ্রমর তেমন খল, কুটিল। আবার ঘরেতে ভ্রমর যদি আসে গুনগুনিয়ে, মনটা নেচে উঠে না কি? কালো রঙের ব্যাপ্তি তাই দিগন্ত জুড়ে।

            এখন কালো আর লাল এই দুই রঙকে যদি পাশাপাশি রাখি। কিংবা একসঙ্গে চোখের সামনে যদি রঙদ্বয় ভেসে ওঠে, তবে অ্যানার্কিসমের সিম্বল। অ্যানার্কিস্ট রাজনৈতিক দর্শন দুনিয়ার একমাত্র রাজনৈতিক দর্শন যেখানে লাল আর কালো রঙ শান্তিপ্রিয় সহাবস্থানে। ফরাসী দার্শনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পীয়র-যোসেফ প্রুধঁ ১৮৪০ সালে তাঁর অতি সুখ্যাত গ্রন্থ হোয়াট ইস প্রপার্টি গ্রন্থে প্রথম স্পষ্ট ব্যাখ্যা করলেন অ্যানার্কিসমের। ১৮৬৪ সালে প্রুধঁ এবং মিখাইল বাকুনিনের দল প্রথম ইন্টারন্যাশনালে কার্ল মার্কসের দর্শনের বিরুদ্ধে বিকল্প দর্শন খাড়া করে ইন্টারন্যাশনাল থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করলেন। ফলে মার্কসের ‘সর্বহারার সাম্রাজ্যবাদ’-এর বিরুদ্ধে ১৮৬৫ সালের শেষে নতুন এক দর্শন উঠে এল ইউরোপে। সেই থেকে এই ২০১৪ সাল অবধি মার্কস-এঙ্গেলসের সঙ্গে বিরোধ প্রুধঁ-বাকুনিনের। ফলে সর্বহারার প্রতীক হিসেবে দুনিয়া জুড়ে যেখানে লাল রঙের প্রাদুর্ভাব, সেখানে অ্যানার্কিস্টেরা লাল আর কালোর বিন্যাসে তাঁদের প্রতীক রাঙিয়ে নিয়েছেন। তবে কী আমরা ধরে নেব আমাদের হিরণদা একজন অ্যানার্কিস্ট?

            চিত্রকর হিরণ মিত্রকে বুঝতে গেলে রঙের সাইকোলজির আলোচনা কিংবা রাজনৈতিক দর্শন অনুসন্ধান সরল সমীকরণ হয়ে যায়। আমার মনে হয় তাঁকে বুঝতে গেলে নাগরিক চিন্তা-চেতনাকে অনুধাবন করতে হবে। আর সেই অনুধাবনের প্রেক্ষাপট হবে অবশ্যই মনস্তত্ত্ব আর রাজনৈতিক দর্শন।

            এখন দেখা যাক হিরণ মিত্রের ছবিতে লাল আর কালো রঙের অনুপাত কেমন ধারা। হিরণদার ছবিতে কালো রঙের আধিক্যই বেশি। তিনি কালো রঙকে ব্যবহার করেছেন যেন তাঁর আত্মার স্ফূরণ হিসেবে। কালোর অনুষঙ্গে লাল রঙ এসেছে আকস্মিকতায়। অতর্কিতে। যেমন কাপালিকের খাড়ায় সিঁদুর চিহ্ন। যেমন শোণিতপিপাসু তরবারি। বিদ্রোহ, বিক্ষোভ। হিরণ মিত্র অতি সচেতনভাবে লাল রঙকে ব্যবহার করেন। তিনি জানেন, নিশ্চিত জানেন বাদল মেঘের মাদল শব্দের মতো কালো রঙ যতই সুতীব্র হোক, একটুখানি লাল তার যাবতীয় পার্সপেক্টিভ পাল্টে দেয়।

হিরণ মিত্র প্রায়োন্ধকার স্টুডিওতে তাঁর ছবিকে দাঁড় করাতে চান না। খোলা মাঠের অপর্যাপ্ত ধুলি শূসর তরঙ্গে তাঁর বিচরণ। মাঠের মাঝখানে ছোট্ট একটু গোলাকার স্থান। ছো শিল্পী নাচছেন। আর শিল্পী হিরণ মিত্র একটি চেয়ারে ঠাঁই বসে হ্যান্ডমেড পেপারের ওপর দীর্ঘ তুলিতে ছো শিল্পীর শরীর বৈভব এঁকে চলেছেন। এমন অবিস্মরণীয় দৃশ্য আমি আমার প্রথম যৌবনে চাক্ষুস করেছি। হিরণদা শিল্পী বটে, তবে স্বচক্ষে দেখেছি দুখুদার (দুখু শ্যাম) পটের ছবির সামনে তন্ময় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। দেখেছি কেঁদুলির তমালতলায় সনাতন দাস, গৌর খ্যাপা, পবন দাসদের বাউল নাচে বিভোর চিত্রশিল্পী হিরণ মিত্রকে। কেবল জয়দেব নয়, ঘুটিয়ালি শরিফ, সতীমায়ের মেলায়, খড়দহের শিকড় উৎসবে প্রত্যক্ষ করেছি হিরণদার ইন্দ্রজাল। যখন তাঁকে প্রথম দেখি, তখন তাঁর সঙ্গে প্রগাঢ় প্রণয় মণিদার (গৌতম চট্টোপাধ্যায়) সঙ্গে। গৌতমদার নাগমতি তখন সদ্য শেষ হয়েছে। সম্ভবত লেটার টু মম-এর কাজ চলছে। মণিদার সিনেমায় শিল্প নির্দেশনার দায়িত্ব হিরণদার। মণিদা ছিলেন নগর বাউল। আর একজন খ্যাপা দীপক মজুমদারের দোসর। আমাদের কলেজ জীবনে এই সব মহারথীদের মধ্যে বিরাজমান ছিলেন হিরণদা। তখন তাঁর মাথার টাক তেমন প্রশস্থ নয়। কালো চুল প্রায় ঘাড় অবধি নেমে এসেছে। টোপা-টোপা গাল। আর চশমার আড়াল থেকে কৌতুকদৃপ্ত চাহনি। সে-সব আসরে মুখ্য চরিত্র মণিদা হলেও কোথাও যেন নিবিষ্ট এক শিল্পী সত্ত্বাকে প্রত্যক্ষ করতাম হিরণদার মধ্যে। আমার জানা নেই গদ্যকার অরূপরতন বসুর সঙ্গে হিরণদার কোন অন্বয় ছিল কি না। তবে, অরূপরতনের মতোই সমান শ্রদ্ধার্ঘ হিরণদার প্রতি রয়ে গেল।03 H

হিরণ মিত্র তাঁর ছবিতে কালো রঙকেই পুনঃ পুনঃ ব্যবহার করেছেন। যে কালো রঙ রহস্য-মেদুর। যে কালো রঙ পীর, মুর্শিদি-আউলের। তার সঙ্গে সঙ্গতভাবে মিশেছে সামান্য লাল। যার ভূমিকা বিবেকের মতো। দ্রোহ, অসন্তোষ, জিঘাংসার মেটাফর। যদি ডিসেকশন করি লোকায়ত ধর্মমত, তবে বলতে হয় তা হল প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মবেত্তার বিরুদ্ধ এক স্বর। বিপ্রতীপ সহজিয়া পথ। অ্যানার্কিসমও কি তাই নয়? প্রাতিষ্ঠানিক মার্কসবাদের বিরুদ্ধে, একটেরে বিশ্বের সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে, কালোলাল নিশান।

মূল কথাটা তো ওই, চিত্রকর হিরণ মিত্র মূলত একজন প্রতিষ্ঠানবিরোধী মানুষ। আমাদের মতো অজো, আমো-দের কাছের মানুষ। যিনি ধর্মে সহজিয়া। মরমে অ্যানার্কিস্ট। তাই সামান্য লাল। তাই এমন ঘন কালোলালকালোয় ব্যাতিক্রমী হিরণ মিত্র।

Advertisements
This entry was posted in Colour, Cultural journey and tagged , , , , , . Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s